যৌন মিলনের প্রয়োজন জানতেনই না দম্পতি!

প্রকাশিত: ১০:২০ অপরাহ্ণ, জুন ১৮, ২০২০

যৌন মিলনের প্রয়োজন জানতেনই না দম্পতি!

বেগম, প্রেসক্রিপশন।বিয়ের পর থেকেই ছিল সন্তানের বাসনা ৷ অনেক প্রার্থনার পরও কিছুই না হওয়ায় পরিবারের পরামর্শে চিকিৎসকের কাছে গেলেন দম্পতি ৷ তখনই ফাঁস হল আসল ঘটনা ৷ এতবছর বিয়ে হলেও সন্তানধারনের জন্য যে যৌনমিলনের প্রয়োজন তা জানতেনই না ওই দম্পতি! এমনই অবাক করে দেওয়া আশ্চর্য ঘটনার কথা জানিয়েছেন ইউনাইটেড কিংডম ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস)-এ কাজ করা এক নার্স ৷

৪০ বছর ধরে বাচ্চা প্রসবের সময় নার্স হিসেবে সহায়তার কাজ করেছেন র‍্যাচেল হিয়ারসন ৷ সম্প্রতিই শেষ করলেন নিজের আত্মজীবনী লেখার কাজ ৷ সেখানেই তিনি এই অদ্ভূত দম্পতির কথা তুলে ধরেছেন ৷’হ্যান্ডেল উইথ কেয়ার: কনফেশনস অব এনএইচএস অ্যান এনএইচএস হেল্থ ভিসিটর’- বইতে তিনি লিখেছেন, একবার এক সন্তানহীন দম্পতির চিকিৎসা করতে গিয়ে অদ্ভুত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন চিকিৎসক ৷ ডাক পড়ে র‍্যাচেলের ৷ দম্পতির সঙ্গে কথা বলতে যাওয়ার আগে চিকিৎসকের থেকে কেস হিস্ট্রি শুনে তিনি অবাক হয়ে যান ৷ বিয়ের পর থেকেই সন্তান চাইছেন ওই স্বামী-স্ত্রী কিন্তু তার জন্য যে শারীরিক সঙ্গম অর্থাৎ যৌন মিলনের প্রয়োজন তা জানতেই না ওই দম্পতি ৷ কোনওদিন শারীরিক সম্পর্কে লিপ্তই হননি দম্পতি ৷ তাই বিয়ের এতবছর পরেও তারা বাবা মা হতে পারেননি ৷ শেষমেষ অপারগ হয়ে এসেছেন ডাক্তারের কাছে ৷ ওই দম্পতিকে কীভাবে শিশুর জন্ম হয় তা বোঝানোর দায়িত্ব হিয়ারসনকেই দেন চিকিৎসক ৷

সন্তান জন্মের জন্য যৌন মিলন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয়তা ব্যাপারটা ভীষণ অস্বস্তিকর ছিল নার্স র‍্যাচেল হিয়ারসনের কাছে, তাও বইয়ে উল্লেখ করেছেন তিনি ৷ ব্যাপারটা খুব একটা স্বস্তির না হলেও চিকিৎসার অংশ হিসেবেই ওই দম্পতির সঙ্গে যৌনমিলন, গর্ভধারণ ও শিশুভ্রুণের জন্ম নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করেন তিনি ৷ সেই কথোপকথনের সময়ই ওই দম্পতির থেকে র‍্যাচেল হিয়ারসন জানতে পারেন, বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রী ভেবেছিলেন একসঙ্গে থাকা শুরু করলেই মানে পাশাপাশি থাকলেই নাকি আপনাআপনি সন্তান আসে গর্ভে ৷ ৷ একছাদের তলায় থাকলেই বিয়ের পর হতে পারবেন বাবা-মা ৷ কিন্তু এমন কিছু না হওয়াতে তারা বুঝতে পারেন কিছু একটা গন্ডগোল আছে ৷ সেই চিন্তা থেকেই তারা হাজির হন ডাক্তারের চেম্বারে ৷

শুধু এই একটি আশ্চর্য ঘটনা নয়, র‍্যাচেল হিয়ারসনের স্মৃতিকথায় এরকম আরও অনেক ঘটনার উল্লেখ করেছেন ৷ চিকিৎসা ও সেবা করতে গিয়ে মজার ঘটনা ছাড়াও বহু সময় বহু অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতাও হয়েছে তাঁর ৷ ৪০ বছর ধরে জমা হওয়া সেইসব অদ্ভুত অভিজ্ঞতার ঝাঁপি হিয়ারসন উপুড় করে দিয়েছেন তাঁর বইতে ৷

Mirror Books@TheMirrorBooks

Happy Publication Day to Rachael Hearson!

“It’s a thought-provoking and extremely relevant read.” @NetGalley review.

Order your copy of Handle With Care: https://amzn.to/3eEcWqc