এমসিসির ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট কনর

প্রকাশিত: ৪:৪৯ অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২০

এমসিসির ইতিহাসে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট কনর

বেগম ডিজিটাল।এই প্রথম মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) ২৩৩ বছরের ইতিহাসে নারী প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন ইংল্যান্ড নারী ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ক্লেয়ার কনর। বর্তমান প্রেসিডেন্ট শ্রীলঙ্কার সাবেক ক্রিকেটার কুমার সাঙ্গাকারার স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) এমসিসির ভার্চুয়াল বার্ষিক সাধারণ সভায় কনরের নাম ঘোষণা করেন সাঙ্গাকারা নিজেই।

আগামী বছরের ১ অক্টোবর থেকে দায়িত্ব পালন শুরু করবেন কনর। করোনা ভাইরাসের কারণে সাঙ্গাকারাকেই ২০২১ সাল পর্যন্ত বাড়তি সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে ক্রিকেটের আইন প্রণয়নকারী সংস্থা মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব বা এমসিসি থেকে।

এমসিসির প্রথম নারী সভাপতি হতে পেরে দারুণ গর্বিত ও উচ্ছ্বসিত কনর, ‘এমসিসির সভাপতি হতে পেরে আমি নিজেকে অত্যন্ত গর্বিত ও সম্মানিত বোধ করছি। ক্রিকেট ইতিমধ্যেই আমার জীবনকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে এখন এই ক্রিকেটই আমাকে দারুণ একটা সম্মানের অধিকারী করল।’

এমসিসির প্রধান হয়েই যেন কনর ফিরে গেছেন তাঁর অতীত দিনগুলিতে, ‘মাঝে মধ্যে মানুষ জীবনের অতীত দিনগুলোতে ফিরে তাকিয়ে সত্যিই অবাক হয়, কতটা পথই না মানুষ হেঁটে পাড়ি দেয়। আজ আমার খুব মনে পড়ছে ৯ বছর বয়সে আমি যেদিন প্রথম লর্ডসে প্রবেশ করেছিলাম, একজন ক্রিকেট পাগল দর্শক হিসেবে, সে দিনটি। নারী হিসেবে কেউ একটা সময় পর্যন্ত লর্ডসের লং রুমে প্রবেশ করতে পারত না। এখন সময়টা দারুণভাবেই বদলে গেছে।’

১৯৯৫ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় কনরের। ২০০০ সালে তিনি পান ইংল্যান্ডের অধিনায়কত্ব। ২০০৫ সালে তার অধীনেই ৪২ বছরের মধ্যে প্রথমবার নারী অ্যাশেজের শিরোপা জিতেছিল ইংল্যান্ড।

একই বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানান তিনি। অবসরের আগে ১৬ টেস্ট, ৯৩ ওয়ানডে ও ২টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন কনর। তিন ফরম্যাট মিলে ১৬০৪ রান ও ১০৪ উইকেট ঝুলিতে পুড়েছেন তিনি।

২০০৫ সালে অ্যাশেজ জেতানোর দুই বছরের মধ্যে ইংল্যান্ডের নারী ক্রিকেটের প্রধানের দায়িত্ব দেয়া হয় কনরকে। ২০১১ সাল থেকে তিনি আইসিসির নারী ক্রিকেট কমিটির অংশ হিসেবে রয়েছে। এছাড়া ২০০৯ সালে এমসিসির আজীবন সদস্যপদ লাভ করেছেন তিনি।