চল্লিশে পা রাখলেন ভক্তদের তরুণী

প্রকাশিত: ১২:২৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০২০

চল্লিশে পা রাখলেন ভক্তদের তরুণী

বেগম।নিজের বয়স ধরে রাখতে বরাবরের মতোই চেষ্টা করেন সবাই। তবে অভিনেতা কিংবা অভিনেত্রীদের কথা একটু ভিন্ন। বাংলাদেশে বয়স বিতর্কে জয়া আহসানের পাশাপাশি রয়েছেন নায়িকা পূর্ণিমা। পূর্ণিমার দৈহিক গঠন ও বয়স নিয়ে চিন্তা করতেই যেন ভক্তদের সময় চলে যায়। আজ ১১ জুলাই, এই নায়িকার জন্মদিন। দেখতে দেখতে কাটিয়ে দিলেন জীবনের ৩৯ বসন্ত। এবারে তিনি ৪০তম বছরে পা রাখলেন।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ১৯৮১ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন পূর্ণিমা। সেখানেই কেটেছে শৈশব৷ কৈশোরে চলে আসেন ঢাকায়৷ ঘটনাক্রমে নাম লেখান সিনেমায়। প্রায় দুই যুগের অভিনয় ক্যারিয়ারে শতাধিক দর্শকনন্দিত ছবি উপহার দিয়েছেন। পাশাপাশি ছোট পর্দা, অর্থাৎ টেলিভিশনেও করেছেন চমৎকার কিছু কাজ। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘ওরা আমাকে ভাল হতে দিলো না’ ছবির জন্য পূর্ণিমা সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেছেন।

 

রিয়াজের সঙ্গে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে অভিনয় জগতে পা রাখেন। জনপ্রিয়তাও পান এই নায়কের সাথে জুটি বেঁধে। ‘এ জীবন তোমার আমার’, ‘নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি’, ‘মনের মাঝে তুমি’, ‘আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা’, ‘হৃদয়ের কথা’, ‘শাস্তি’, ‘খবরদার’, ‘শ্বশুর জামাই’, ‘টক ঝাল মিষ্টি’ ইত্যাদি ছবিগুলো জুটি হিসেবে রিয়াজ-পূর্ণিমাকে অনন্যতা দিয়েছে। রিয়াজের সঙ্গে জুটি হয়ে তুমুল সফলতা পেলেও আমিন খান, ফেরদৌস, মান্নাসহ অনেক নায়কের সাথে অভিনয় করেও দর্শকপ্রিয় ছবি উপহার দিয়েছেন এ নায়িকা।

ব্যক্তিজীবনে ২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর পারিবারিকভাবে আহমেদ জামাল ফাহাদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পূর্ণিমা। ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল কন্যাসন্তান জন্ম দেন এ অভিনেত্রী। মেয়ের নাম রেখেছেন তিনি আরশিয়া উমাইজা। স্বামী সংসার নিয়ে বেশ কেটে যাচ্ছে পূর্ণিমার দিন।

 

বর্তমানে সিনেমায় খুব একটা নিয়মিত নন। সর্বশেষ তার হাতে ‘জ্যাম‘ ও ‘গাঙচিল’ নামের দুইটি সিনেমা রয়েছে। যেগুলো পরিচালনা করছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। আজকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুব এক্টিভ পূর্ণিমা। প্রায় প্রতিদিনই ছবি দেন, যা তার ভক্তদের আন্দোলিত করে। জন্মদিন উপলক্ষে ভক্তদের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। মাত্র ১৭ বছর বয়সে চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন। জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত ‘এ জীবন তোমার আমার’ ছবিটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়। সেখানে নায়ক হিসেবে পেয়েছিলেন সেই সময়ের হার্টথ্রব রিয়াজকে। প্রথম ছবি দিয়েই বাজিমাত করেছিলেন। তারপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দিনে দিনে নিজেকে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন ঢাকাই ছবির অন্যতম একজন অভিনেত্রী হিসেবে।