যুবরাজ সালমানই খাসোগি হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন: জাতিসংঘের বিশেষ দূত

প্রকাশিত: ১০:২০ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০২০

যুবরাজ সালমানই খাসোগি হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন: জাতিসংঘের বিশেষ দূত

বেগম ডিজিটাল ডেস্ক।সৌদি যুবরাজ সালমানকেই খাসোগি হত্যার প্রধান সন্দেহভাজন বলেছেন জাতিসংঘের বিশেষ দূত অ্যাগনেস ক্যালামার্ড। সালমানের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া তুরস্কের সৌদি দূতাবাসে ওই নির্মম হত্যাকণ্ড ঘটানো সম্ভব ছিল না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার তুরস্কের বার্তা সংস্থা আনাদুলু এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বিচারবহির্ভূত হত্যাবিষয়ক বিশেষজ্ঞ ক্যালামার্ড বলেন, সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না থাকলেও তিনি যুবরাজকেই প্রধান সন্দেহভাজন মনে করছেন।

সৌদি ভিন্নমতাবলম্বী সাংবাদিক ও ওয়াশিংটন পোস্টের কলামিস্ট জামাল খাসোগি ২০১৮ সালের অক্টোবরে ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশের পর নিখোঁজ হন। বিশ্বজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হলে তাকে হত্যার কথা স্বীকার করে রিয়াদ। তাদের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় কর্মকর্তাদের ভুলে নিহত হন ওই সাংবাদিক। তবে তার মৃতদেহের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি।

প্রথমে রিয়াদের পক্ষ থেকে খাসোগিকে হত্যার কথা অস্বীকার করা হলেও তুরস্কের সংবাদমাধ্যমগুলো সৌদি আরবের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রমাণ হাজির করতে থাকে।

যুক্তরাষ্ট্রের তদন্ত সংস্থা সিআইএ ও পশ্চিমা দেশগুলোও বলে আসছে, এই হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা সৌদি যুবরাজ। সেই ধারাবাহিকতায় জাতিসংঘ দূত ক্যালামার্ড বললেন, আমি মনে করি, কে এই হত্যাকাণ্ডের আদেশ দিয়েছেন, কিংবা কারা এতে প্ররোচনা দিয়েছে তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে তিনি (যুবরাজ) প্রধান সন্দেহভাজন। তবে, তিনি যে এই আদেশ দিয়েছেন তার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ আমার কাছে নেই। তবে পরিস্থিতিগত প্রমাণ থেকে বোঝা যায়, যুবরাজ সালমানের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে না।

মানবাধিকার বিষয়ক এই আইনজীবীর বিশ্বাস, সিআইএ’র কাছে যুবরাজের (জড়িত থাকার) তথ্য থাকতে পারে।