‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা ২০১৯’ অনুষ্ঠানে দেশের দশ কৃতি নারীকে সম্মাননা

প্রকাশিত: ৮:৪১ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২০

‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা ২০১৯’ অনুষ্ঠানে দেশের দশ কৃতি নারীকে সম্মাননা

বেগম ডেস্ক।অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা ২০১৯’। শুক্রবার রাত ৮টায় দেশের দেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য প্রতিবছরের মতো দশ জন কৃতি নারীকে এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। দৈনিক ইত্তেফাক ও পাক্ষিক অনন্যার সম্পাদক তাসমিমা হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

অনুষ্ঠানের শুরুতে সভাপতির বক্তব্যে পাক্ষিক অনন্যার সম্পাদক তাসমিমা হোসেন বলেন, এখনও সময়টা নারীদের জন্য খুব অনুকূল নয়। উগ্র মৌলবাদীরা নারীর অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। নিজেদের বঞ্চনার কথা বলতে এখনও মেয়েরা ভয় পায়।

একদিকে যেমন দেশের নারীদের সেই বঞ্চনা আর ভয় দূর করতেও কাজ করে যাচ্ছে অনন্যা, তেমনি অন্যদিকে তাদের অর্জন, সাফল্য আর অবদানকে সম্মান জানাতেই অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, দেশের নারীদের তাদের অবদানের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সম্মান জানিয়ে আসছে পাক্ষিক অনন্যা। ২০০৭ সালে আমাকেও রাজনীতিতে এ সম্মাননা জানানো হয়। এমনকি আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও শীর্ষদশ সম্মাননায় ভূষিত করেছে অনন্যা।

বক্তব্যের শেষে বিভিন্ন অঙ্গনে নারীদের অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ অনন্যার এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান তিনি।

এ বছর যারা ‘অনন্যা শীর্ষদশ সম্মাননা ২০১৯’ এ ভূষিত হলেন তারা হলেন, শিক্ষায় প্রতিভা সাংমা, সমাজসেবায় শ্রীমতি সাহা, অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপনে হাজেরা বেগম, অনুপ্রেরণায় ফাল্গুনী সাহা, চিত্রকলায় ফরিদা জামান, সাংবাদিকতায় সুমনা শারমিন, নারী সংগঠক হিসেবে ইশরাত খান মজলিশ, ক্রীড়ায় ইতি খাতুন, উদ্যোক্তা হিসেবে নাসিমা আক্তার নিশা এবং সঙ্গীতে এফ মাইনর।

প্রসঙ্গত, বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পাক্ষিক অনন্যা সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ও প্রতিষ্ঠিত নারীদের স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। এর মাধ্যমে নারীর অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে প্রতিষ্ঠানটি। কৃষি, শিল্প, বাণিজ্য, অর্থনীতি, অভিনয়, সঙ্গীত, খেলাধুলা, শিক্ষা, চিকিৎসা, মুক্তিযুদ্ধ, সমাজ কল্যাণ তথা আইন, মানবাধিকার, ব্যবসায় উদ্যোগ, রাজনীতি, সাংবাদিকতা প্রভৃতি অঙ্গনে যে সব নারী উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছেন তাদের কর্ম সাধনার স্বীকৃতি স্বরূপ এই শীর্ষদশ সম্মাননা।