নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ফ্রি টোল সেবার ব্যাপক প্রসার দরকার: অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনা

প্রকাশিত: ১১:১০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১, ২০২০

নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে ফ্রি টোল সেবার ব্যাপক প্রসার দরকার: অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনা

বেগম টুয়েন্টিফোর ।ধর্ষকদের অন্য কোনো পরিচয় থাকতে পারে না। তাদের এই নিকৃষ্টতম কাজের জন্য কোনো ধরণের ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই। ধর্ষকদের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলে সবাইকে অবস্থান নিতে হবে। আদালতের মাধ্যমে বিচারের রায় হওয়ার পর তা দ্রুত কার্যকরও করতে হবে। তাহলে এই সমাজে নারী ও শিশুর ওপর নির্যাতন কমে আসবে বলে মনে করেন আলোচকরা। বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) এক অনুষ্ঠানে  আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য গ্লোরিয়া ঝর্ণা  সরকার, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া। দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটির সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনা বলেন,  আন্তরিক শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানাই ভোরের পাতা সংবাদ মাধ্যমকে এই জন্য যে, এমন একটি সময়পযোগী একটি বিষয় নির্ধারণ করে আমাকে কথা বলার জন্য সুযোগ করে দিয়েছেন। আমি প্রথমেই বলতে চায়, যা কিছু নিষিদ্ধ, যা কিছু অনুচিত এই সমস্ত বিষয়গুলি যত নেতিবাচক বিষয়গুলো আছে একটি শেকলের সাথে জড়িত। মাদক যদি বলি তাহলে ঘুষ দুর্নীতিও এর সাথে জড়িত হয়ে আছে। কারণ এইগুলো ওতপ্রোতভাবে জড়িত হয়ে আছে আমাদের সমাজে। যে পরিবার ঘুষ, দুর্নীতির সাথে যুক্ত নয়, মাদকের সাথে যুক্ত নয়, সে পরিবারের সন্তান সাধারণত এইরকম হওয়ার কথা নয় যারা ধর্ষণের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত। যখন আমার চারপাশে ঘুষ, দুর্নীতি বেড়ে যাচ্ছে, মাদকের প্রাচুর্যতা বেড়ে যাচ্ছে, তখন কিন্তু একটি অনৈতিকতার চোরা পথ দিয়ে পচা পানি প্রবেশ করে। নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে যে টোল ফ্রি সেবা রয়েছে সেটার আরও ব্যাপক প্রসার দরকার আছে। অনেকে অনেক নির্যাতনের ঘটনা জানার পরেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাবার প্রয়োজনবোধ বলে মনে করে না। কারণ সামাজিকভাবে প্রচলিত আমরা একটা প্রবাদ শব্দ জানি যে, “পুলিশে ছুলে আঠারো ঘা”। এই একটা ভীতি থেকে অনেক সময় সাধারণ জনগণ মনে করে, আমি বিষয়টা জানাবো, আমাকেই নাকি আবার হেরেস্মেন্টের শিকার হতে হয় কিনা। এই রকম একটা অনিশ্চয়তায় তারা ভুগতে থাকে। এই অনিশ্চয়তা দূর করার দায়িত্বও কিন্তু পুলিশ প্রশাসনের। ইতিমধ্যে তারা অনেক এগিয়ে এসেছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই কিন্তু এই বিষয়টিকে আরও একটু নিশ্চিত করতে পারলে জনগণের সেই ভয়টি দূর হবে এবং সেক্ষেত্রে সামাজিক যে দৃঢ়তা, সামাজিক যে ঐক্যবদ্ধতা সেটিও গড়ে উঠবে।

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ

আর্কাইভ

October 2020
M T W T F S S
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031